পর্যাপ্ত পুলিশি ব্যাবস্থা না করতে পারার কারনে ব্লক প্রশাসন থেকে বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের ৬ নম্বর রামপুর গ্রামপঞ্চায়েতের অনাস্থা ভোট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধান নির্বাচনের অনাস্থা ভোট কালীপুজোর পরে করার কথা বিডিও ঘোষনা করায়
ক্ষোভে ফেটে পরেন রামপুর গ্রামপঞ্চায়েতের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন করতে হবে এই দাবি তুলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে রায়গঞ্জ ব্লকের বিডিওকে ঘেরাও করে রাখে তৃনমুল পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃনমূল নেতা কর্মীরা। এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় রায়গঞ্জ ব্লক অফিসে।
ঘটনার খবর পেয়ে ডিএসপি সদর সহ রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে আসে রায়গঞ্জ ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের দপ্তরে। রাত পর্যন্ত ঘেরাও চলছে বলে জানা গিয়েছে।
রায়গঞ্জ ব্লকের ৬ নম্বর রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট সদস্য ১৯ জন। এরমধ্যে একজন প্রয়াত হয়েছেন। তৃনমূলের সমর্থনে রামপুর গ্রামপঞ্চায়েত কংগ্রেসের দখলে ছিল। কংগ্রেসের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে তৃনমূলের ১২ জন সদস্য। গত মঙ্গলবার ছিল অনাস্থা। প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা পাশ হয়ে যায় মঙ্গলবার। ১২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচনের দিন ধার্য করে রায়গঞ্জ ব্লক প্রশাসন। কিন্তু বুধবার যখন পঞ্চায়েত সদস্যরা ভোটদানের জন্য স্লিপ আনতে রায়গঞ্জ বিডিও অফিসে যান তখন বিডিও অনুরাধা লামা জানিয়ে দেন বৃহস্পতিবার ভোট করা যাবেনা। এর কারন হিসাবে তিনি পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে পরেন রামপুর অঞ্চলের তৃনমূল নেতৃবৃন্দ সহ পঞ্চায়েতের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার ধার্য করা দিনেই ভোট করার দাবি তুলে বিডিও অনুরাধা লামাকে সন্ধ্যা থেকে রাত
পর্যন্ত ঘেরাও করে রেখেছে তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও পঞ্চায়েত সদস্যরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী থাকলেও ঘেরাও মুক্ত করতে পারানি রায়গঞ্জের বিডিও অনুরাধা লামাকে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।